দলীয় এমপিদের পদত্যাগ করে আন্দোলনে নামার আহ্বান গয়েশ্বরের

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

দলীয় এমপিদের পদত্যাগ করে আন্দোলনে নামার আহ্বান গয়েশ্বরের

বিএনপির এমপিদের উদ্দেশে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, রাজনৈতিক কৌশলগত কারণে যদি আমরা পার্লামেন্টে যোগ দিয়ে থাকি তাহলে আজকে আমাদের দায়িত্ব সর্বপ্রথম পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করা। পদত্যাগ করে জনগণের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নামতে হবে।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম আয়োজিত ‘আর কতকাল বন্দি থাকবে খালেদা জিয়া’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা পার্লামেন্টে থাকব আবার সরকারের পতন চাইব, এই শব্দটা কিন্তু জনগণ পছন্দ করবে না। অর্থাৎ আমরা যেটা চাই, সেটা জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে। আসলেই আমরা সরকারের পতন চাই। তখন জনগণ রাস্তায় রক্ত দেয়ার জন্য আপনাদের পাশে দাঁড়াবে। যতক্ষণ আমাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য জনগণের কাছে স্পষ্ট করে বুঝাতে পারব না ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো আন্দোলন দানা বেঁধে উঠবে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র এটা ভারত মনে করে না। যদি তারা সেটা মনে করত তাহলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পশ্চিমবঙ্গে গেছেন, কিন্তু তাকে প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদা দেয়নি কেন? অথবা সরকারের পক্ষ থেকে তার কোনো প্রতিবাদ হয়নি কেন? কেন তিনি অনুষ্ঠান বর্জন করে দেশে ফিরে আসলেন না?

গয়েশ্বর বলেন, যারা (ভারত) ‘৭১ সালে আমাদের সাহায্য করেছে, ৪৭ বছর পরে তারা মনে করে তারা সেদিন বিনিয়োগ করেছে। আমাদের দেশে তারা বিনিয়োগ করেছে তারা আমাদের কাছ থেকে নিতে চায়। তাই তাদের সঙ্গে আমাদের বোঝাপড়া করা দরকার, আপনাদের (ভারত) কাছে আমাদের ঋণের পরিমাণ কত? এই পরিমাণ নির্ধারণ হলে প্রয়োজনে আমরা ১৬ কোটি মানুষ রক্ত বিক্রি করে সে ঋণ শোধ করব। তবুও এই দেশকে কারো দাসত্বের অধীনে থাকতে দেব না।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে কি না, সেটা নির্ধারণ করেন শেখ হাসিনা। আর শেখ হাসিনা অনুমতি দিবে কি না সেটা নির্ভর করে আরেকটি দেশের ওপর। কোনো দেশে আমরা বসবাস করি? যে দেশে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। যার স্ত্রী,সন্তানরা পাকিস্তান কারাগারে আটক ছিলেন। সেই স্বাধীনতার প্রতীক সাবেক প্রধানমন্ত্রী আজকে কারাগারে। আর তার মুক্তি হবে কি হবে না তা নির্ভর করে অন্য একটি দেশের ওপর! তারপরও কি আমরা এই বদ্ধ ঘরের মধ্যে শুধু কথার ফুলঝুরি ছেড়ে আমাদের দায়িত্ব পালন করছি সেটা প্রমাণ করতে পারব? তাই আমাদের এই সরকারের পতন ঘটিয়ে এ দেশকে মুক্ত করতে হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আবদুল আওয়াল মিন্টু, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, খোন্দকার মাশুকুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

Share.

About Author

Leave A Reply