ব্লগ এবং ওয়েবসাইট যেভাবে কাজ করে

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

আর্ন ম্যানেজার ডেস্ক ♥

বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি ইন্ডাস্ট্রির নানা অগ্রগতিতে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠি এখন অনলাইনে অর্থোপার্জনের উপায় সন্ধান করে থাকেন। অনলাইনে অর্থোপার্জন করার ক্ষেত্রে বেশির ভাগ মানুষ ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে বেছে নেয়। ব্লগ দিয়ে ইনকাম করা তুলনামূলক সহজ মনে করে থাকেন বলে সবারই একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইট তৈরি করে থাকেন।

অনলাইনে ব্লগিং করে নানাভাবে অর্থোপার্জন করা যায়। আপনাদের আগ্রহ থাকলে অবশ্যই দীর্ঘদিন কঠোর পরিশ্রমের চালিয়ে যেতে পারলে ইনশাআল্লাহ আপনিও ওয়েবসাইট থেকে প্রতি মাসে স্ট্যান্ডার্ড ইনকাম করতে পারবেন।

একটি ব্লগ আপনাকে কেবল নিজেকে প্রকাশ করতে, আপনার দক্ষতা ভাগ করে নেওয়ার জন্য বা ফলোয়ার তৈরি করার অনুমতি দেয় না।তবে ওয়েবসাইট করবেন নাকি ব্লগ করবেন। কিন্তু এমনটার কারন হচ্ছে এই দুইটার মধ্যে পার্থক্য না বোঝা। আসলে ব্লগ আর ওয়েবসাইটের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই।

ব্লগ এবং ওয়েবসাইট কি

ব্লগ হল এক ধরণের ওয়েবসাইট। পার্থক্যটি হল ব্লগ যেকোনো সময় আপডেট করা হয় এবং ওয়েবসাইটগুলি বেশি আপডেট করা হয় না। একটি ব্লগ নিজস্ব ওয়েবসাইটের একটি অংশ হতে পারে। ধরুন আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে তার অনেক গুলো পেইজ ও আছে। তার মধ্যে একটা পেজ হলো ব্লগ।

ব্লগ হচ্ছে এক ধরনের ওয়েবসাইট যেখানে লেখক তার লিখা পাবলিশ করতে পারে। আর সকল ব্লগকেই এক একটি ওয়েবসাইট বলা চলে। আর যেহেতু আমাদের মূল টার্গেট বিজ্ঞাপন থেকে আয় করা তাই আমার মতে ব্লগ সাইট বানানোই উত্তম কারন, এখানে আপনি নিয়মিত লিখতে পারবেন।

ব্লগ কি : ব্লগ শব্দটি ইংরেজ Blog এর বাংলা প্রতিশব্দ, যার শাব্দিক অর্থ অনেকটা অনলাইন ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। ইংরেজি Blog শব্দটি আবার Weblog এর সংক্ষিপ্ত রূপ। যিনি ব্লগে পোস্ট করেন তাকে ব্লগার বলার হয়। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটে কনটেন্ট যুক্ত করেন আর ব্যবহারকারীরা সেখান থেকে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য নেন এবং সেখানে তাদের মন্তব্য বা অভিবাক্তি প্রকাশ করতে পারেন।

সাম্প্রতিক কালে ব্লগ ফ্রিলান্স সাংবাদিকতার একটা মাধ্যম হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক ঘটনাসমূহ নিয়ে এক বা একাধিক ব্লগার রা এটি নিয়মিত আপডেট করেন।, এখন ব্যক্তিগত ডায়রীর পরিবর্তে ব্লগ একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। অনেকে ব্লগ এবং ওয়েবসাইট এর পার্থক্য বোঝেন না। ওয়েব সাইট থেকে ব্লগের মূল পার্থক্য হল ওয়েব সাইট আপডেট করা হয় অনিয়মিত ভাবে অপর দিকে ব্লগ আপডেট করা হয় নিয়মিত ভাবে। এমনকি কিছু কিছু ব্লগ প্রতি মিনিটে আপডেট করা হয়।

ব্লগিংয়ের পটভূমি : ইন্টারনেট জগতে “ব্লগ” এর বয়স বিশ বছর পেরিয়েছে। Blog শব্দটির আবির্ভাব Weblog থেকে। Weblog শব্দটিসর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় দশ বছর আগে ১৯৯৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর। শব্দটির স্রষ্ট্রা মার্কিন নাগরিক জন বার্জার। এর ঠিক দু’বছর পর ১৯৯৯ সালের এপ্রিল এবং মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে পিটার মহোলজ নামে একব্যাক্তি Weblog শব্দটিকে ভেঙ্গে দুই ভাগ করেন- We Blog এর পরই সারা বিশ্বব্যাপী ব্লগ জনপ্রিয় হতে শুরু করে।

ব্লগিং কি : কোন একটি নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটে কোন বিষয়কে পাঠকদের মতামত প্রদানের জন্য তুলে ধরাকে ব্লগিং বলে। ব্লগিং জিনিসটা যদি সংক্ষেপে বলি তাহলে বলব বিভিন্ন ব্লগে বা ওয়েভ সাইটে যা লেখা লেখি হয় তাই হল ব্লগিং । এই ব্লগিং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হতে পারে, যেমন সাহিত্য, রাজনীতি, টেকনোলজি, ভ্রমণ কাহিনী, আপনার জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখা একটি ডায়েরির মত সব কিছু গুছিয়ে রাখা, এবং তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞান সম্বন্ধে লিখা ইত্যাদি।

ব্লগার কি এবং কারা : ব্লগিং যারা করে বা যারা ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লেখালেখি করে এবং এই ব্লগগুলো যারা বানায় তারাই হল ব্লগার অর্থাৎ যিনি ব্লগে পোস্ট করেন বা লেখালিখি করেন তাদেরকে বলা হয় ব্লগার।

ব্লগিংয়ের প্রকারভেদ : ব্লগ বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে নিচে কয়েকটি ব্লগ প্রকারভেদ তুলে ধরা হলো
ব্যক্তিগত ব্লগ : নিজের ব্যক্তিগত বিষয় তুলে ধরা অথবা নিজের জ্ঞানকে অন্যের কাছে তুলের জন্য যে ব্লগ তৈরি করা হয় তাই ব্যাক্তিগত ব্লগ ।

নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ব্লগ: এই ধরনের ব্লগ সাধারণ বেশি দেখা যায় যেমন টেকিব্লগ, ফটো ব্লগ, আর্ট ব্লগ, ভিডি ও এমপিথ্রি ব্লগ, এন্টারটেইটমেন্ট ব্লগ (মুভি এবং নাটক ব্লগ গুলো হয়) (এই ব্লগিং এর মাধ্যমে সাধারণত মানুষ ইনকাম করে।) কোম্পানি বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিজেদের যাবতীয় তথ্য নিয়ে গঠিত ব্লগ হল কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানিক ব্লগ ।

সামাজিক ব্লগ: সমাজের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানুষের আচার আচরণ চলাফেরা সামাজের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে তৈরি ব্লগগুলো হল সামাজিক ব্লগ।

© earnmanager.com

Share.

Leave A Reply