বেনাপোল কাস্টমস: সহকারী প্রোগ্রামারের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

Google+ Pinterest LinkedIn Tumblr +

বেনাপোল কাস্টমস: সহকারী প্রোগ্রামারের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী প্রোগ্রামার আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ৪ বছর ধরে একই স্থানে দায়িত্ব পালন করায় ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে তিনি ঘুষের টাকা আদায় করছেন বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। চাহিদামতো টাকা না দিলে ফাইল আটকিয়ে নানাভাবে হয়রানি করেন আক্তারুজ্জামান।

মো. রুহুল আমিন নামে এক ব্যবসায়ী টেলিফোনে যুগান্তরকে (মোবাইলে রেকর্ড করা আছে) বলেন, ‘বেনাপোল কাস্টম হাউসে প্রতিদিন আমদানি-রফতানি পণ্য খালাসের জন্য প্রায় ৪শ’ বিল অব এন্ট্রি (আমদানি-রফতানিপত্র) দাখিল করা হয়। প্রতিটি বিল অব এন্ট্রি দাখিল বাবদ সহকারী প্রোগ্রামার আক্তারুজ্জামানকে ২০ টাকা করে দিতে হয়। সে হিসাবে বিল অব এন্ট্রি থেকে প্রতিদিনে তার গড় আয় প্রায় ৮ হাজার টাকা। বিল অব এন্ট্রি হিসাব করে সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের একজন কর্মচারী সন্ধ্যায় টাকা পৌঁছে দেন তার দফতরে। তাছাড়া লাইসেন্স নবায়নের জন্য সর্বনিু ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত তাকে ঘুষ দিতে হয়। বেনাপোল কাস্টম হাউসের সিএন্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্সের সংখ্যা সাড়ে ৮শ’। লাইসেন্সের পারফরম্যান্স, বিল আন লক, আইআরসি যাচাই, রেড চ্যানেল কাটানো বাবদ তাকে ৫শ’ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ দিতে হয়।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের এক কর্মকর্তা (মোবাইলে কথা রেকর্ড করা আছে) বলেন, ‘প্রতিটি বিল অব এন্ট্রি’র বিপরীতে আক্তারুজ্জামানকে আমরা ২০ টাকা করে দিয়ে থাকি। তারপরও তিনি আমাদের সদস্যদের নানাভাবে হয়রানি করে টাকা আদায় করছেন।’

জানা যায়, আক্তারুজ্জামান সপরিবারে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় বসবাস করেন। বাড়িতে থেকে তিনি বেনাপোলে অফিস করেন। প্রতি বৃহস্পতিবার বাড়িতে যান। শনিবার বিকালে ফিরে আসেন। কলারোয়া থেকে লাভলুর রহমান নামে জনৈক ব্যক্তি বলেন, ‘আক্তারুজ্জামান কলারোয়ায় বসবাস করেন। গত ৫ বছরে তিনি নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। কিভাবে হলেন সেটা আমরা জানি না। তিনি কাস্টমসে চাকরি করেন বলে শুনেছি।’

জানতে চাইলে বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা বলেন, ‘সহকারী প্রোগ্রামারের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগের ব্যাপারে আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আক্তারুজ্জমান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা ঠিক নয়। অভিযোগ মনগড়া। আর আমার বিরুদ্ধে পত্রিকায় লিখে কোনো লাভ হবে না।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

Share.

Leave A Reply